wapkiz এ কি ট্রিকবিডির মতো সাইট তৈরি করা যায়?

হ্যা Trickbd মতো সাইট তৈরি করা যায়। এইরকম সাইট ওয়াপকিজে তৈরি করা যায়।

মোঃ আল আমিন ইসলাম রাজ দশম শ্রেনিতে অধ্যায়নরত বিজ্ঞান বিভাগের একজন ছাত্র। স্বপ্ন দেখেন ভালো একজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার। পাশাপাশি সমাজের গরিব দুঃখী মানুষের সেবা করতে পছন্দ করেন। নতুন কিছুর খোঁজে জ্ঞান সমুদ্রের ঢেউয়ে ভেসে চলেছেন, আন্স বাংলার সাথে আছেন একজন “সম্পাদক” হিসেবে। read more

কিভাবে NeoBux একাউন্ট খুলবেন – EasyEarnBD.com

  1. প্রথম পাতা
  2. ক্লিক করে আয় করুন
  3. NeoBux হতে আয় করুন
  4. কিভাবে NeoBux একাউন্ট খুলবেন

NeoBux এ একাউন্ট খুলতে প্রথমে নিচের সবুজ রঙের বাটন/লিঙ্কটি ক্লিক করে NeoBux এর ওয়েব সাইট এ যান। লিঙ্কটিতে ক্লিক করলে NeoBux সাইট টি একটি নতুন উইন্ডো বা ট্যাব এ খুলবে।

NeoBux এ একাউন্ট খুলতে এই লিঙ্কটিতে ক্লিক করুন    
উপরের ডান দিকের”Register”বাটন টিতে ক্লিক করুন। read more

আপনার শিশুকে কিভাবে সঞ্চয় করা শেখাবেন? আর কেনই বা সেটি জরুরি? – Kids Time

শিশুর অনেক স্বপ্ন থাকে, থাকে অনেক ছোট ছোট লক্ষ্য। সেই লক্ষ্য পূরণে তাকে করতে হয় পরিকল্পনা। এবং সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে অনেক সময় প্রয়োজন হয় টাকার। শিশু যেহেতু টাকা উপার্জন করে না, তার লক্ষ্য পূরণে যদি টাকার প্রয়োজন হয় তাহলে তার সঞ্চয় (saving) করা প্রয়োজন। read more

উপার্জন আয় কিভাবে?

একজন ব্যবসায়ী হওয়া সহজ নয় এবং বিনিয়োগ সম্পদের সাথে ফটকাগুলির মাধ্যমে স্থির আয় অর্জন করা খুব কঠিন। বৈদেশিক মুদ্রার বাজার বিস্তৃত, এবং এটি বাণিজ্য লেনদেনের পাশাপাশি অনেক বিকল্প আয় উপার্জন বিকল্প সরবরাহ করে। যেমন একটি বিকল্প অংশীদার প্রোগ্রাম অংশীদার কোম্পানীর পারিশ্রমিক জন্য আকর্ষণ আকর্ষণ লক্ষ্য। পারিশ্রমিক গণনা পদ্ধতি এবং ক্লায়েন্ট আকর্ষণ পদ্ধতি ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু একটি অংশীদার প্রোগ্রামে অংশগ্রহনকারী কোনও ট্রেড লেনদেন ছাড়াই স্থায়ী আয় অর্জন করতে পারবেন। read more

জাপান কাহিনি:আসির আহমেদ

 

 

 

 

-কাজী ইনসানুল হক,

 

গতবছর বই মেলায় জাপান প্রবাসী আশির আহমেদের বই “জাপান কাহিনি”প্রকাশিত হয়েছে এবং বইটি যথেষ্ট পাঠকপ্রিয়তা পেয়েছে। লেখাগুলো আশির নিয়মিত তার ফেসবূকে পোষ্ট করতেন, সেগুলোরই সংকলন বই আকারে প্রকাশ। জাপান ও জাপানের প্রবাস জীবনের টুকিটাকি বিষয় ভিত্তিক লেখাগুলো বেশ তথ্যমূলক ও সরল ভাষায় লেখা,রম্য ধাচের লেখার ষ্টাইলটা ছিল চমৎকার,ঝরঝরে,মচমচে ,ফলে বিপুল পাঠক পড়তে যেয়ে বেশ উপভোগ করেছে।বইটির পাঠক নন্দিত হওয়ার এটাই কারন। আশির সর্বদা যেভাবে কথা বলেন সেভাবেই লিখেছেন,বই পড়ছি না আশির বলছে আমি শুনছি,আমার এরকমটাই মনে হয়েছে। মেধাবী আশির লেখালেখিতেও সফল বলা যেতে পারে। read more

computerclinic2021

তাহলে আসুন দেখি আপনার ভয় কতটা কাটাতে সাহায্য করতে পারি……!

প্রসেসর: এটা কি জিনিস, মনে হয় বুঝিয়ে বলার দরকার নেই। বছর খানেক আগেও PROCESSOR এর ব্রান্ড সিলেকশন নিয়ে তেমন কোন সমস্যা ছিলনা। মার্কেটে ইন্টেলের একচেটিয়া আধিপত্য ছিল। কিন্তু বর্তমানে প্রেক্ষাপট পরিবর্তন হয়ে গেছে। যারা প্রসেসর বলতে ইন্টেলকেই বোঝেন তাদের দ্বিধা দ্বন্দে ফেলার জন্য বর্তমানে বাংলাদেশের মার্কেটে এএমডি এর প্রসেসর চলে এসেছে। যদিও মার্কেটে এখনো ইন্টেলের মত এএমডি অতটা শক্ত অবস্থান গাড়তে পারেনি। তারপরও এটা কোন অংশেই ইন্টেলের চাইতে পিছিয়ে নেই। বরং কোন কোন ক্ষেত্রে এটা ইন্টেলকে পেছনে ফেলে দিয়েছে। অনেকের মাঝেই এখনো ভুল ধারনা আছে যে, এএমডির প্রসেসর মনে হয় খুব গরম হয়!!! আর এই ধারনাকে ভুল প্রমাণিত করতে বলি, প্রসেসর তো গরম হবেই। আর সেটা সহনীয় পর্যায়ে রাখার জন্য এএমডির প্রসেসরগুলো সাথে এখন যে হিটসিংক দেওয়া হচ্ছে সেগুলো খুবই কার্যকরী। অতএব এএমডির প্রসেসর অতিরিক্ত গরম হওয়া নিয়ে আর কোন টেনশন রইলনা। read more

বোন! তুমি কি পুরুষের সঙ্গে কাজ করছ?

মূলঃ পুরুষের মাঝে কর্মরত নারীর প্রতি আহ্বান
আবু সারা
অনুবাদক : সানাউল্লাহ নজির আহমদ
বোন! আমি মর্মাহত, আমি ব্যথিত এবং খুবই দুঃখিত আমি। না,
আমার কোন কারণে নয়, শুধু তোমার জন্য এবং শুধু তোমার
কল্যাণের কথা চিন্তা করেই। তুমি কাজ করছ! তাও আবার
পুরুষের সঙ্গে এবং তাদের মাঝে থেকেই। কারণ, এটা তোমার
দীনদারি খতম করে দিবে, তোমার চরিত্রের ওপর কলঙ্কের ছাপ
এঁটে দিবে। এটা আমার মায়াকান্না নয়, আমার কথাগুলো তুমি
নাক সিঁট্কে ফেল দিও না এবং মনে কর না আমি খুব বাড়াবাড়ি
করছি, বরং আমার কাছে এর প্রমাণ রয়েছে। আছে এর যুক্তি
সংগত কারণ। মনে রেখো, ইসলামের সম্পর্ক ছাড়া তোমার সঙ্গে
আমার আর কোন সম্পর্কই নেই। এবং এর সঙ্গে আমার কোন
ইহজাগতিক স্বার্থও সংশ্লিষ্ট নয়। বরং এর দ্বারা আমার সময় ও
শ্রম ব্যয় হচ্ছে, মেধার ক্ষয় হচ্ছে। আশা করছি আমার এ
কথাগুলোর মূল্য তুমি দিবে। আমি যা বলছি তুমি তা বারবার
চিন্তা করবে। তবে অবশ্যই তুমি আমাকে তোমার একান্ত
হিতাকাঙ্ক্ষী জ্ঞান করবে।
জেনে রখো, পুরুষের সঙ্গে যে কোন সহাবস্থানে নারী সঙ্কুচিত
ও নির্যাতিত থাকে। যদি না তার সঙ্গে তার মাহরাম থাকে।
কারণ, পুরুষরা সাধারণত নারীর দিকে প্রবৃত্তি ও কামভাব
নিয়েই তাকায়। এর বিপরীত যে বলবে সে মিথ্যুক। কারণ,
আল্লাহ তাআলা পুরুষের মধ্যে নারীর প্রতি মোহের সৃষ্টি
করেছেন এবং নারীর মধ্যে দিয়েছেন পুরুষের প্রতি গভীর
আগ্রহ। অধিকন্তু নারীর মধ্যে রয়েছে দুর্বলতা ও কোমলতা। ফলে
নারী-পুরুষের সহাবস্থানে শয়তান স্নায়ুতন্ত্র ও অনুভূতিগুলোকে
প্ররোচিত করার মোক্ষম সময় মনে করে। সাধারণত এসব ক্ষেত্রে
নারীরাই ক্ষতিগ্রস্ত বেশী হয়। কারণ, সৃষ্টিগতভাবে নারীরা
পুরুষের থেকে ভিন্ন। সহাবস্থানের ফলে নারীরা যে ধরনের
ক্ষতির সম্মুখীন হয়, পুরুষরা সে ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হয় না।
যেমন নারীদের অনেক সময় গর্ভ সঞ্চার হয়, কখনো গর্ভপাত
করতে গিয়ে মৃত্যু মুখে পতিত হয় নারী। এসব কারণেই শরিয়ত
নারী-পুরুষের সহাবস্থান নিষিদ্ধ করেছে। আমি এখানে নারী-
পুরুষ সহাবস্থান নিষিদ্ধ করার কিছু দলিল উল্লেখ করছি।
আল্লাহ তাআলা বলেন,
{ ﻗُﻞ ﻟِّﻠْﻤُﺆْﻣِﻨِﻴﻦَ ﻳَﻐُﻀُّﻮﺍ ﻣِﻦْ ﺃَﺑْﺼَﺎﺭِﻫِﻢْ ﻭَﻳَﺤْﻔَﻈُﻮﺍ ﻓُﺮُﻭﺟَﻬُﻢْ }ﺍﻟﻨﻮﺭ 30: .
মুমিন পুরুষদেরকে বল, তারা তাদের দৃষ্টি সংযত রাখবে এবং
তাদের লজ্জাস্থানের হেফাজত করবে। (নুর : ৩০)
এ আয়াতে আল্লাহ তাআলা পুরুষের দৃষ্টি অবনত রাখার নির্দেশ
দিয়েছেন। যেহেতু নারী-পুরুষ পাশাপাশি কর্মরত থাকলে দৃষ্টি
অবনত রাখা সম্ভব নয়, তাই শরিয়ত তাদের সহাবস্থান নিষিদ্ধ
করেছে।
নারীর পুরোটাই সতর বা পর্দার বস্তু। তার দিকে দৃষ্টি দেয়া
হারাম।
রাসূল সা. বলেন, হে আলী, বারবার নজর দিবে না, প্রথম নজর
তোমার কিন্তু দ্বিতীয় নজর তোমার নয়। (তিরমিজি)
অর্থাৎ হঠাৎ প্রথম যে দৃষ্টি নারীর প্রতি পড়ে যায় তাতে কোন
গুনা নেই, কিন্তু দ্বিতীয়বার স্বেচ্ছায় দৃষ্টি দেয়া গুনা বা
অপরাধ।
হাদিসে এসেছে যে, চোখের যেনা দৃষ্টি দেয়া, কানের যেনা
শ্রবণ করা, মুখের যেনা কথা বলা, হাতের যেনা স্পর্শ করা,
পায়ের যেনা পথ চলা। (মুসলিম)
চোখের যেনা দৃষ্টি। এর মাধ্যমে ব্যক্তি নারীর সৌন্দর্য ও রূপ
উপভোগ করে। পরবর্তীতে তার সঙ্গে অন্তরের ঘনিষ্ঠতা সৃষ্টি
হয়। আর এ পথ ধরেই শুরু হয় অশ্লীলতা। এতে সন্দেহ নেই যে, নারী-
পুরুষের সহাবস্থানে দৃষ্টি হেফাজত করা কোন ক্রমেই সম্ভব নয়।
রাসূল সা. বলেছেন, আমার মৃত্যুর পর পুরুষের জন্য নারীই সব
চেয়ে ক্ষতিকর ফিতনা। (বুখারি)
সে হিসেবে উভয়ের একত্রে জব করা বা কর্মরত থাকা কোন
অবস্থাতেই নিরাপদ নয়।
রাসুল সা. যখন মসজিদ নিমার্ণ করেন, তখন নারীদের জন্য
আলাদা দরজা তৈরি করেন এবং তিনি বলেন, আমরা কি এ
দরজাটি নারীদের জন্য রেখে দিতে পারি না? (আবুদাউদ)
ওমর রা. মসজিদে নারীদের দরজা দিয়ে পুরুষদের প্রবেশ করতে
নিষেধ করতেন। অতএব যেখানে শুধু দরজাতেই নারী-পুরুষ
একত্রিত হওয়া নিষেধ, সেখানে একই অফিসে নারী-পুরুষের
সহাবস্থান কীভাবে বৈধ?
রাসূল সা. নারীদের রাস্তার পাশ ধরে হাঁটতে নির্দেশ
দিয়েছেন। যাতে রাস্তার মাঝখান দিয়ে না হাঁটে এবং পুরুষের
সঙ্গে তাদের মিশ্রণ না ঘটে।
রাসূল সা. সালাতে শেষে সালাম ফিরিয়ে কেবলা মুখি হয়ে
বসে থাকতেন তার সঙ্গে পুরুষরাও বসে থাকত। যতক্ষণ না
নারীরা চলে যেত এবং তাদের ঘরে প্রবেশ করত। অতঃপর তিনি
বের হতেন এবং তার সঙ্গে অন্যান্য পুরুষরা বের হত। যাতে
নারীদের প্রতি তাদের দৃষ্টি না পড়ে।
এসব আয়াত ও হাদিস দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, নারী-পুরুষের
সহাবস্থান হারাম। হারাম পুরুষের সঙ্গে নারীর জব করা ও
চাকরি করা। এ ব্যাপারে আলেমদের কোন দ্বিমত নেই।
বোন! নারীরা ঘরে বসে থাকার জন্য আদিষ্ট। জান এটা কেন?
এর কারণ হচ্ছে নারীরা যাতে পুরুষের দৃষ্টির শিকার না হয় এবং
তাদের সঙ্গে নারীদের মিশ্রণ না ঘটে।
এটা সুবিদিত যে, নারী-পুরুষের সহাবস্থান ইজ্জত ও সম্মানের
ওপর আঘাত, পরিবার ধ্বংস, যুবতীদের ভবিষ্যৎ নষ্ট ও পর্নোছবির
ছড়াছড়ির জন্য একমাত্রদায়ী।
নারী-পুরুষের সহাবস্থানে কি সমস্যার জন্ম হতে পারে এটা যদি
তুমি ভাল করে জানতে চাও, তবে পাশ্চাত্য দেশগুলোর প্রতি
দৃষ্টি দাও এবং দেখ যে তারা এ কারণে কি কি সমস্যার
সম্মুখীন হয়েছে, এখন তাদের কি চিন্তা? তারা তো এখন
সহাবস্থানের শিক্ষাও বন্ধ করতে চাচ্ছে। আমেরিকা ও
অন্যান্য দেশে নারী ও পুরুষের জন্য আলাদা আলাদা স্কুল,
কলেজ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তৈরি করা হচ্ছে। জেনে রেখো,
তারা সহাবস্থানের অশুভ পরিণতি ও তার ক্ষতির সম্মুখিন না
হয়ে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি। আমরা কি এসব বাস্তবতা থেকে
শিক্ষা নিব না!?
এটা কি অশুভ বুদ্ধির কথা নয় যে, তারা যে ভুল করেছে আমরাও
তা করব? অথচ তারা তা থেকে মুক্তির পথ খুঁজছে।
বোন!
তুমি আমাদের কাছে সব চেয়ে দাবি ও সম্মানের।
তুমি বোন, তুমি মেয়ে, তুমি স্ত্রী এবং তুমি মা।
আমরা তোমাকে রক্ষা করতে চাই, আমরা তোমাদের হেফাজত
করতে চাই, তোমার উচিত আমাদের কাজে সহযোগিতা করা।
তুমি সমাজের অর্ধেক, তুমি অন্যদের জন্ম দাও।
আমরা আশা করছি, তুমি আমাদের জন্য এমন ব্যক্তিত্ব জন্ম
দিবে, যে এ জাতির নেতৃত্ব দিবে।
তুমি যদি ঘর ত্যাগ কর, তুমি যদি ঘরের কাজ ও সন্তানের লালন ও
পালন ছেড়ে দাও আর পুরুষের সঙ্গে অসম প্রতিযোগিতায় নেমে
পড়, তবে তোমার দ্বারা এটা কি সম্ভব?
জেনে রেখো, আল্লাহ তোমার ওপর রহম করুন, আল্লাহ তোমাকে
তোমার কল্যাণের জন্যই ঘরে অবস্থান করার নিদের্শ দিয়েছেন।
তিনি বলেন,
{ ﻭﻗﺮﻥ ﻓﻲ ﺑﻴﻮﺗﻜﻦ ﻭﻻ ﺗﺒﺮﺟﻦ ﺗﺒﺮﺝ ﺍﻟﺠﺎﻫﻠﻴﺔ ﺍﻷﻭﻟﻲ }
আর তোমরা নিজ গৃহে অবস্থান করবে এবং প্রাক-জাহেলী
যুগের মত সৌন্দর্য প্রদর্শন করো না। (আহজাব : ৩৩)
কারণ, যখন তুমি ঘর থেকে বের হবে তখনই পুরুষরা তোমার প্রতি
লালায়িত হবে। তুমি এর সত্যতা যাচাই করার জন্য পাশ্চাত্যে
নারীর অবস্থার দিকে একটু দৃষ্টি দাও। তারা সর্বদা পুরুষের
নির্যাতনের কথা বলছে, তারা সবখানে অপহরণ ও ধর্ষণের
শিকার হচ্ছে। তারা সহবস্থান থেকে বাঁচার জন্য শত চেষ্টার
পরও সক্ষম হচ্ছে না। কারণ, তারা যদি কর্ম ত্যাগ করে, তবে
তাদেরকে না খেয়ে মরতে হবে। তারা খুব দুঃখে রয়েছে, তাদের
অবস্থা খুবই খারাপ।
পক্ষান্তরে তুমি! আল্লাহ তোমাকে ইসলাম দ্বারা ইজ্জত দান
করেছেন। এ ইসলাম তোমাকে পিতা, স্বামী, ভাই ও সন্তান
উপহার দিয়েছে। যারা তোমার ভরণপোষণ করছে, তাদের ওপর
আল্লাহ এ দায়িত্ব ওয়াজিব করে দিয়েছেন। তোমাকে কখনো
পানাহার ও বাসস্থানের জন্য কর্মে যোগ দিতে বলেনি ইসলাম।
এটা একটা বড় নেয়ামত, যা আল্লাহ তোমাকে তোমার কষ্ট
ছাড়াই দান করেছেন। কি চমৎকার! রানীর মত ঘরে থাকবে আর
অন্যরা তোমার জন্য জীবিকার ব্যবস্থা করবে। এটা কি বড়
নেয়ামত নয়?
খবরদার! দুনিয়ার চাকচিক্য এবং বাইরে বের হওয়া ও কাজে
যোগদানের শয়তানি প্ররোচনায় ধোঁকা খাবে না। তুমি যদি
আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করতে চাও, তবে ঘরে অবস্থান কর।
রাসূল সা. বলেন, নারী সতর। যখন সে বের হয় শয়তান তাকে
চোখ তুলে দেখে। নারী ঘরের মধ্যে অবস্থানকালেই
আল্লাহর বেশি নৈকট্য প্রাপ্ত থাকে। (তিরমিজি ও ইবনে
হিব্বান)
বোন! তোমাকে বলছি, তোমার নিকট সবচেয়ে দামি জিনিস
হচ্ছে তোমার ইমান ও তোমার সতিত্ব। তুমি যখন পুরুষের সঙ্গে
অবস্থান করবে তখন এ দুটো সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
তাদের থেকে দূরে থাক। স্বামী বা মাহরাম ব্যতীত অন্য কোন
পুরুষের মুখোমুখি হয়ো না। জেনে রেখো! ঘরে বসেই তুমি
পুতচরিত্র ও অহমিকা সম্পন্ন পুরুষ লাভে ধন্য হবে। আর যদি তুমি
ঘর ছেড়ে বের হয়ে যাও এবং তাদের সঙ্গে অবস্থান কর, তবে
তুমি পুরুষত্ব সম্পন্ন ও ব্যক্তিত্বর অধিকারী স্বামী থেকে
বঞ্চিত হবে।
বোন! এ কথা বলো না, পুরুষের সঙ্গে থাকলেও আমি নিজেকে
নিজে হেফাজত করতে সক্ষম।
মনে রেখো! আল্লাহ তাআলা দৃষ্টি অবনত রাখার নির্দেশ এবং
নারী-পুরুষকে আলাদা থাকার নিদেশ খামাখা দেইনি। তিনি
জানেন, নারী-পুরুষের মাঝে যৌন সম্পর্ক খুবই স্পর্শকাতর।
আল্লাহ তাআলা মুসলমানকে এসব ফেতনার জায়গা থেকে দূরে
থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। তার জন্য বৈধ নয় যে, সে নিজকে
নিজেই ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিবে। মানুষ ক্ষুধার্থ হলে খানা
থেকে বিরত থাকার শক্তি হারিয়ে ফেলে তদ্রূপ মানুষ যৌন
ক্ষুধায়ও নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে।
মোদ্দাকথা : আমাদের এসব দলিল দ্বারা প্রমাণিত হল যে,
নারী-পুরুষের সহাবস্থান হারাম এবং নারী-পুরুষের একে অপরের
পাশে কর্মরত থাকা অবৈধ। যদিও তারা পরহেজগার হয়। যৌন
কামনা থাকা বা না-থাকার কোন কথা নেই অথবা এরও কোন
গ্রহণযোগ্যতা নেই যে, নারী তার হেফাজতের জন্য সক্ষম।
বোন! তোমার যদি একান্ত কাজ করতেই হয়, তবে পুরুষের থেকে
আলাদা কাজ কর।
বোন! আমি জানি না, আমার এ কথাগুলো তোমার অন্তরে কোন
প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করবে কি না?
বোন! আমি জানি না, আমার এ কথাগুলো তোমার হৃদয়ের গভীরে
পৌঁছতে সক্ষম হবে কি না?
আমি অন্তর থেকে তোমার জন্য দোয়া করছি। আরও দোয়া
করছি যে, আল্লাহ তোমাকে ষড়যন্ত্রকারীদের ষড়যন্ত্র থেকে
হেফাজত করে। যারা তোমাকে যে কোন হালাতে কর্মে
যোগদানের জন্য পরিকল্পনা করে। তারা তোমাকে ঘরের
বাইরে ও পুরুষদের সঙ্গে দেখে খুব খুশি।
কারণ, তারা খুব ভাল করেই জানে যে, তুমি প্রতিভাবান ও মহা
ব্যক্তিদের জন্মদানকারী ও লালন-পালনকারী। তুমি বিপদগামী
হলে মহান ব্যক্তিরা শৈশবেই ঝড়ে পড়বে। তখন পুরো জাতি
তাদের তল্পিবাহক ও দাসে পরিণত হবে। আমি আশা করছি, তুমি
খুব গভীর ভাবে আমার কথাগুলো গ্রহণ করবে এবং তোমার
অবস্থানের ক্ষতি সম্পর্কে অবগত হবে।
আর যদি এমন হয় যে, তুমি আমার কথায় কোন ভ্রূক্ষেপ করছ না
(যদিও আমি তোমার থেকে এমনটি আশা করি না) আমি সকাল-
সন্ধ্যা তোমার জন্য দোয়া করব। আমি এ দোয়া থেকে কখনই
বিরত হবো না।
যাই হোক! তুমি আমার বোন, আমার বিশ্বাস তুমি একদিন না
একদিন ফিরে আসবেই। আমার বিশ্বাস আল্লাহ তাআলা আমার
এ প্রচেষ্টা বিফলে যেতে দিবেন না। সব তওফিকের মালিক
একমাত্র আল্লাহ তাআলা।
আমি তোমার থেকে আশা করছি, তুমি আমার এ কথাগুলো
বারবার পড়বে এবং বারবার চিন্তা করবে।
আস্সালামু আলাইকুম ওয়ারাহমুতুল্লাহি ওয়াবারকাতুহ
সমাপ্ত read more

কার্তিকের কুয়াশা

সাইদুজ্জামান

গল্প এবং সংবাদের মধ্যে একটা পার্থক্য নিশ্চয় আছে। প্রেম-পিরীতির গল্প বলে কথা আছে বটে, তবে প্রেম-পিরীতির সংবাদ বলে এমন কোনো আজগুবি কথা এই ত্রিভুবনে কেউ শুনেছে? প্রেম বলে কিছু নেই, কিছুই নেই? তা সে যাই হোক, স্বল্প কথায় বলি আমার একটা গল্প আছে বলার, আর একটা ভয়ও আছে আর কখনো যদি এই গল্প-টি বলা না হয়ে ওঠে। read more

শ্রীশ্রী হরি-গুরুচাঁদ মতুয়া সমাজ – পৃষ্ঠাঃ ১২১-১৪০

নামে জগন্নাথ রায়, মান্য যাঁর অতিশয় 
পুকুর কুলের পরিচয়।
আদিতে সর্দ্দার বংশ, প্রতাপের সেনা অংশ 
অতঃপর কৃষি জীবি হয়।।
এই দীন গ্রন্থকার, এই বংশে জন্ম তার 
জন্ম ধন্য দেখি গুরুচাঁদে!
হরি হল অবতংস, ধন্য নমঃশূদ্র বংশ 
ভাগ্য গুণে পেয়ে হরিচাঁদে।।
এই জগন্নাথ রায়, দাঁড়াইয়া কথা কয় 
সভা মাঝে বহুত প্রকারে।
জ্ঞান-গর্ভ কথা কয়, সবে করতালি দেয় 
সভা শুদ্ধ ধন্য ধন্য করে।।
নব কৃষ্ণ সেই জন, জ্ঞানী গুণী মহাজন 
সভামধ্যে বহুত কহিল।
সবে তার কথা শুনি, ধন্য ধন্য করে ধ্বনি 
জয় শব্দে করতালি দিল।।
জ্ঞানে গুণে মহাবলী, পিয়ারী চরণ ঢালি 
অন্য ভাবে উপাধি বিশ্বাস।
দাঁড়াইয়া সভা মাঝে, কথা বলে মহা তেজে 
মনে হয় ফেলেনা নিঃশ্বাস।। 
কথা কয় কতক্ষণ, মুগ্ধ হয় সর্ব্বজন 
সবে বলে ‘ ধন্য ব্যক্তি বটে!
উমাচরণ বিশ্বাস,সচিয়াদহেতে বাস 
কথা বলে সভার নিকটে।।
রামলোচন বিশ্বাস, দাঁড়াইয়া সভা-পাশ 
বলিলেন জ্ঞান গর্ভ কথা।
তাঁহার বচন শুনি, সবে করে জয় ধ্বনি 
বাক্যে তার এত মধুরতা।।
পণ্ডিত শ্রী রাম নাথ, কর জোড়ে প্রণিপাত 
করিলেন সভাজন প্রতি!
ধীরে ধীরে কথা কয়, যেন কেহ গীত গায় 
কন্ঠ – স্বর সুললিত অতি।।
বিদ্যার যতেক গুণ, ধন মান সব ন্যূন
বিদ্যাহীন রয় যেই জাতি!
নমঃশূদ্র ঘরে ঘরে, যা’তে বিদ্যা শিক্ষা করে 
সেই কথা বলিলা সম্প্রতি।।
এই ভাবে জনে জনে, কথা কয় সভা স্থানে 
কেহ কম কেহ বলে বেশী।
সকলের বলা হলে,উঠিলেন সভাস্থলে 
গুরুচাঁদ যেন পূর্ণ শশী।।
বীণাপাণী লয়ে বীণা, আপনার মধ্যে লীনা
গাহে যদি সুধাময় গীতি।
অথবা নারদ ঋষি, সুর সাধে যবে বসি 
যদি শোনে কমলার পতি।।
অথবা কৈলাস পতি, যেমন করিল গীতি 
যে দিনে গলিল নারায়ণ।
সৃষ্টি মোহ-প্রাপ্ত হয়, নারায়ণ পদে তায় 
গঙ্গা করে জনম গ্রহণ।।
তেমনি সুরের ধ্বনি, গুরুচাঁদ গুণমনি 
নিজ কন্ঠে আনিল সে দিন।
সে স্বরে নাহি তুলনা, যেমন কমলা – বাসনা
অনাহত ধ্বনি মাঝে লীন।।
গুরুচাঁদ কয় কথা, বসে শোনে সব শ্রোতা 
অপূর্ব্ব ভাবেতে নিমগন।
এ যেন ক্ষীরোদ কুলে, দৈত্য – ভীত দেব কুলে 
ভয় নাই বলে নারায়ণ।।
সে সব মধুর কথা, অমিয় – পূরিত গাঁথা
কহিবারে শক্তি মোর নাই।
যদি গুরু করে দয়া, দেয় মোরে পদছায়া 
মনে তবে আমি জোর পাই।।
বারশ ‘ সাতাশী সালে, এই সভা নমঃকুলে 
প্রথমে হইল অধিষ্ঠান।
পতিত – পাবন বন্ধু, গুরুচাঁদ কৃপাসিন্ধু 
অন্ধে চক্ষু করেছিল দান।। read more

এসইও(SEO), ইউটিউব & ডিজিটাল মার্কেটিং ~ আউটসোর্সিং

আউটসোর্সিং আউটসোর্সিং আউটসোর্সিং এখন এই শব্দটা বাংলাদেশ এ আমার মনে হয় শব্দ থেকে জনপ্রিয় শব্দ। এখন কথা হচ্ছে যতটা জনপ্রিয় ঠিক সেই ভাবে কি কেউ শিক্ষিত এই শব্দটা নিয়ে? সবাই কি জানে এর অর্থ কি? আউটসোর্সিং কিভাবে করতে হয়? আমার মনে হয় অনেকেই জানে না ব্যাপারটা, আর যতটুকু জানে ততটুকু সবাই ঠিক মত জানে না। সে জন্য আমার এই লেখা। আশা করি ভাল লাগবে। read more